NOORAA Family SEBA – NOFS – নামাকরন মাহাত্ব!
ইংরেজি NOORAA শব্দটি আরবী শব্দগুচ্ছ নূর আল আমানা এঁর ব্যবহারিক রুপ যার আভিধানিক বাংলা আলোয় আস্থাশীলতা!!
আলো জ্ঞানের পরিপূরক এবং জ্ঞানই শক্তি! তবে, মানবীয় জ্ঞানের একমাত্র উৎস সৃষ্টিকর্তার কৃপা! সুমহান সৃষ্টিকর্তা মানবের সংবিধিবদ্ধ জীবন বিধান হিসাবে দেয় চুড়ান্ত ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরানে
- নিজেকে আসমান ও জমিনের নূর তথা জ্যোতি অর্থাৎ আলো হিসাবে (আয়াত ২৫:৩৫) পরিচয় দিয়েছেন!
- তাঁরই পক্ষ থেকে প্রেরিত প্রগাড় ধর্মগ্রন্থকে সেই আলোর দিকে দিকনির্দেশনা দেয়া প্রতিনিধি (রাসুল) (আয়াত ৫:১৫ ক্কাদ-জায়াকুম মিনাল্লাহি নূরাও ওয়া কিতাবুম মুবিন!) হিসাবে বর্ণনা করেছেন! এবং
- তাওরাত ও ইঞ্জিলে উল্লেখিত পূর্ববর্তী ধর্মগ্রন্থের জ্ঞানবিহীন রাসুল-নবী (রাসুলান নাবিয়্যান উম্মি!) অর্থাৎ মুহম্মদ সাঃকে বিশ্বাস করে তাকে সম্মান ও সহযোগীতা করনের নির্দেশনা দিয়ে তাঁরই সাথে সন্নিবেশিত আলো (আয়াত – ৭:১৫৭ ওয়াত্তাবাউ নূরাল্লাজিনা উনজিলা মা-অ্যা’হ!) অনুসরণ করা মানবদেরকে সফলকাম হিসাবে ঘোষণা দিয়েছেন!
ইংরেজি নূরা শাব্দিক অর্থে আলোয় আস্থাশীলতা! হলেও পবিত্র কোরানে প্রাপ্ত ঐশ্বরিক বক্তব্যের আলোকে এটির প্রায়োগীক মর্মার্থ – সুমহান সৃষ্টিকর্তা, তাঁরই মনোনীত জানা-অজানা মানবীয় প্রতিনিধি এবং সেই মানবীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে অবমুক্ত ধর্মগ্রন্থ সমুহে একনিষ্ট আস্থা-স্থাপনকে ধারন করছে! কিন্তু,
স্বভাবিক অবস্থায় কোন মানুষ চাইলেই নিজে কিংবা অন্যকাউকে সৃষ্টিকর্তায় আস্থা আনয়নে সহায়তা করতে সক্ষম নয়, যদি না সৃষ্টিকর্তার জ্ঞান অনুযায়ী সেই মানুষ পথপ্রাপ্তির যোগ্য হয়! তবে, যেকোন মানুষ – সে পথপ্রাপ্তির যোগ্য না হলেও সৃষ্টিকর্তায় আস্থা-স্থাপনে সক্ষম হবেন, যদি তিনি একনিষ্ঠ চিত্ত্বে নিজের জানা-অজানা অনিষ্ট কর্মের অনুশোচনা করে নিঃশর্তভাবে সৃষ্টিকর্তায় নিবেদিত করতে পারেন! মানবের এই অবস্থানের
- বাংলা ভাষাগত প্রকাশ – আত্মসমর্পণ যার আরবী রুপ ইসলাম! অন্যদিকে,
- এই অবস্থান অর্জনকারীর পরিচয় আত্মসমর্পিত যার আরবী রুপ – মুসলিম! এবং
- এটি মানব হিসাবে জন্ম নেয়া প্রতিটি আদম উত্তরাধিকারীর জন্য সৃষ্টির শুরু থেকে সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী মানুষের পরিচয়! একই সাথে অনুসরনীয় এবং মনোনীত কর্মভিত্তিক একমাত্র ধর্ম!
এরই বাস্তবতায় বানিজ্যিক এই প্রকল্পের মুল এবং অন্যতম দর্শনের ভাষাগত প্রকাশ – নূরা তথা আলো অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তায় আস্থাশীলতা! বস্তুতঃ এই দর্শন গাণিতিক অলৌকিকতায় রঞ্জিত! প্রকল্প দর্শনের ধারক ইংরেজি NOORAA শব্দের গাণিতিক মান [১৪+১৫+১৫+১৮+১+১ =] ৬৪ এবং এই গাণিতিক মানে লুকায়িত কয়েকটি কোরানিক বক্তব্যের একটি নিম্নরূপ – পরম করুণাময় অসিম দয়ালু আল্লাহর নামে
২:৬২ যারা আস্থা স্থাপন করেছে (আল্লাহ, কোরান, এবং মুহম্মদ সাঃ), যারা অধিকতর কৃপাপ্রাপ্ত (ইহুদি), যারা বিজয়ী (নাসারা-খৃষ্টান নামে অভিহিত!) এবং যারা ধর্মান্তরিত (সাবেঈন), তাদের মধ্যে যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে, বিশ্বাস করে মৃত্য পরবর্তী জীবনে (পরকাল!) এবং সৎকর্মশীল জীবনযাপনে সচেষ্ট থাকে, তারা তাদের প্রতিপালকের কাছ থেকে প্রতিদান পাবে! তাদের ভয়ের কিছু নেই; তাদেরকে দুঃখিত হতে হবে না! [একই বক্তব্য দেয়া রয়েছে ৫:৬৯ আয়াতে!]
অন্যদিকে, NOORAA শব্দের ইংরেজী বর্ণনা – TRUST on LIGHT শব্দগুচ্ছের গাণিতিক মাণ [৯৮+ ২৯+ ৫৬] = ১৮৩ এবং এই মানে লোকায়িত ঐশ্বরিক নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট কোরানিক বক্তব্য নিম্নরূপঃ
১৮:১-২ সকল প্রশংসাই আল্লাহর যিনি এই ধর্মগ্রন্থটি তাঁর সেবকের মাধ্যমে অবমুক্ত করেছেন এবং সেটিকে ত্রুটিহীন করেছেন! এক নিখুত – তাঁর পক্ষ থেকে কঠিনতম শাস্তির সতর্কতা এবং তাঁর প্রতি আস্থাশীল থেকে সৎকর্মশীল জীবনযাপনে সচেষ্টদের জন্য সুখবর এই যে তারা অবারিত প্রতিদান অর্জন করেছে!
১৮:৩ তারা সেখানেই চিরকাল অবস্থান করবে!
পক্ষান্তরে, ইংরেজি শব্দগুচ্ছ NOORAA – TRUST on LIGHT এর সমষ্টিগত মান [৬৪ + ১৮৩=] ২৪৭ এবং চুড়ান্ত ধর্মগ্রন্থে সরাসরি এই সংখ্যায় একটিমাত্র আয়াত রয়েছে (২:২৪৭) যেখানে বর্ণিত রয়েছে সৃষ্টিকর্তায় ইচ্ছেনুযায়ী সার্বভৌমত্ব বা ক্ষমতা প্রদানের ঘোষণা এবং ২৪৭ এঁর বিপরীত তথা ডানদিক থেকে পঠিত ৭৪২ মানে লুকায়িত ৭:৪২ আয়াতে প্রাপ্ত বক্তব্য নিম্নরূপঃ
৭:৪২ যারা আস্থাস্থাপন করে এবং সৎকর্মশীল জীবনযাপনে সচেষ্ট – আমরা কোন আত্মাকেই তাদের সাধ্যের অধিক বোঝা চাপিয়ে দেই না – তারাই শান্তিময় বাগানের (জান্নাত) বাসিন্দা হবে! সেখানেই তারা চিরকাল বসবাস করবে!
অন্যদিকে, ২৪৭ মানে লুকায়িত ২:২৪৫তম আয়াতে রয়েছে সৃষ্টিকর্তার একটি প্রশ্ন এবং তৎসংশ্লিষ্ট মন্তব্যঃ
২:২৪৫ বহুগুনে ফেরত পাওয়ার আশায় আল্লাহকে কে সৎকর্মশীলতা কর্জ হিসাবে দিতে চাও? আল্লাহই একমাত্র স্বত্বা যিনি প্রদান করেন এবং গুটিয়ে নেন। এবং তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে!
প্রকল্পের নাম সংশ্লিষ্ট ইংরেজি শব্দের গাণিতিক মানে প্রাপ্ত ঐশ্বরিক দিকনির্দেশনা গুলোর প্রতিটি আস্থা ও সৎকর্মশীলতাকে ঘিরে আবর্তিত এবং সুমহান সৃষ্টিকর্তা মানবের কাছে সেই সৎকর্মশীলতাকেই কর্জ হিসাবে চেয়েছেন! তবে, তিনি নিজেকেই সকল সৎকর্মশীলতার একমাত্র উৎস হিসাবে ঘোষনা দিয়ে রেখেছেন (৭৪:৫৬)! অর্থাৎ
মানুষ চাইলেই সৎকর্মশীলতা অর্জন করতে পারবে না, যদি না সৃষ্টিকর্তা কৃপা করেন এবং সৃষ্টিকর্তার কৃপা অর্জনের একমাত্র উপায় তাঁর প্রতি একনিষ্ট আস্থা যার প্রায়োগীক প্রকাশ NOORAA!
নূরা – আমরা সৃষ্টিকর্তায় আস্থাশীল!
সৃষ্টিকর্তায় আস্থাশীলতা একান্তই ব্যক্তিগত এক মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান যার জন্য অর্থের কোন প্রয়োজন নেই! কিন্তু সৎকর্মশীলতা একটি সামাজিক বিষয় যা অর্থ-সম্পদের সাথে সম্পৃক্ত এবং সমাজ বিনির্মাণের ১ম এবং প্রধান অনুষংগ পরিবার যার ইংরেজি রূপ Family!
ইংরেজী FAMILY শব্দটির গাণিতিক মান ৬৬ যা মহান সৃষ্টিকর্তার আল্লাহ নামে ব্যবহৃত চারটি আরবী বর্ণের [আলিফ ১+ লাম৩০+ লাম৩০+ হ৫ = ৬৬!] গাণিতিক মানের সমষ্টি যিনি তাঁর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব মানবকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সমাজ বিনির্মাণের শিক্ষা দিয়েছেন! এরই পাশে, মানবের ভাষা ও রংয়ের ভিন্নতায় প্রমান দেয়ার ঘোষনা দিয়ে (৩০:২২) তাঁর আস্থাশীলতার বন্ধনকে (রজ্জু) সমবেতভাবে তুলে ধরনের (৩:১০৩) নির্দেশনা দিয়েছেন! এরই ধারাহিকতায়
সুনির্দিষ্ট সংখ্যক নিবন্ধিত সদস্যদের সমন্বয়ে পরিকল্পিত সামাজিক পরিবারের আভিধানিক নাম NOORAA Family!
বৈবাহিক সম্পর্ক নূতন পরিবার সৃষ্টির একমাত্র মাধ্যম হলেও নূরা-পরিবারে অন্তর্ভুক্তি দুটি বৈশিষ্ট্যকে ঘিরে আবর্তিত! যেকোন গোত্র, বর্ণ, শ্রেনী ও পেশার পূর্ণবয়স্ক মানুষ নূরা পরিবারের সদস্য হিসাবে বিবেচিত হতে পারবেন, যদি তিনি সৃষ্টিকর্তার একত্বে আস্থাশীল থেকে সেই সৃষ্টিকর্তার শক্তি থেকে প্রাপ্ত আত্মার স্বকীয়তা তথা ব্যক্তি কেন্দ্রিক মানবীয় শক্তির সক্ষমতার স্বরুপ উপলব্দি করনে আগ্রহী হন!
প্রাক্কলিত সেবা উপভোগে আগ্রহী মানুষজন – সেবা গ্রহীতা, সেবা সহযোগী কিংবা সেবা দাতা নামীয় যেকোন একটি শ্রেনীতে নিবন্ধিত হতে পারবেন এবং এতে অর্থ ব্যয়ের কোন আবশ্যকতা নেই! তবে,
মানব জীবনের একমাত্র নিশ্চিত বিষয় অনিশ্চিত মৃত্যু পরবর্তী সামাজিকতা এবং অনাকাংখিত দুর্ঘটনা কিংবা অসুস্থতায় পরিবারের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিমান অর্থসংস্থান সুনিশ্চিত করনে পরিকল্পিত অনিশ্চয়তার নিশ্চয়তা প্রকল্পে নিবন্ধিত হওয়া অত্যাবশ্যক এবং এখানেই SEBA!
বাংলা ভাষায় সেবা সহজবোধ্য হলেও সেটির ইংরেজি রূপ SEBA SOCIO-ECONOMIC BASIC ADVANCEMENT শব্দগুচ্ছের সংক্ষিপ্ত রূপ যার আভিধানিক বাংলা শব্দটি আর্থ-সামাজিক ভিত্তির উন্নয়ন! বস্তুতঃ যেকোন ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ কিংবা রাষ্ট্রের উন্নতি ও অগ্রগতি অর্থের সুষম প্রবাহের উপর নির্ভরশীল যা জীবিকা নির্বাহের নুন্যতম চাহিদাগুলোর সমানুপাতিক সরবরাহ নিশ্চিত করনে সহায়তা করে!
এরই ধারাবাহিকতায় প্রাক্ষলিত প্রতিটি সেবাই নিবন্ধিত সদস্যদের আয় ও ব্যয়ের সমানুপাতিক সুষম প্রবাহ নিশ্চিত করনের লক্ষ্যেই সৃজিত। এবং এটি প্রকল্প ব্র্যান্ড NOFS – নফস এর শাব্দিক মর্মার্থ এবং সেটির গাণিতিক মানের অলৌকিকতা সংশ্লিষ্ট ঐশ্বরিক দিকনির্দেশনার কার্যাকরণ!
PARBON নিবেদিত NOORAA Family SEBA এর ব্র্যান্ড হিসাবে ব্যবহৃত ইংরেজি NOFS শব্দের বাংলা উচ্চারন নফস চুড়ান্ত ধর্মগ্রন্থের ঐশ্বরিক বক্তব্যে আরবী বর্ণ নু, ফা, সীন সমন্বয়ে সৃষ্ট শব্দের উচ্চারনকে ধারন করছে! কোরানে প্রাপ্ত নফস শব্দটির আভিধানিক বাংলা আত্মা! মানবের শরীর বৃত্তীয় পৃথিবীর জীবনিশক্তি আত্মা আল্লাহর শক্তি থেকেই প্রদেয় বিধায় মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব হিসাবে স্বীকৃত!
নশ্বর ও পংখিল মানবীয় শরীর থেকে সেটির চালিকা শক্তি আত্মার পৃথকিকরনের প্রক্রিয়াই মৃত্যু এবং প্রতিটি আত্মাকেই মৃত্যুর স্বাদ তথা মৃত্যুর স্বরুপ উপলব্দি করতে হবে! সৃষ্টিকর্তা মৃত্যুপ্রাপ্ত পরিতৃপ্ত তথা পরিশুদ্ধ আত্মাকেই তাঁর সান্নিধ্যে আহবান করবেন (৮৯:২৭-৩০)। মানুষের আত্মা ও শরীর একে অপরের পরিপূরক এবং শারিরিক ও আত্মিক পরিপূর্ণতার জন্য প্রয়োজন সচেতনতা! সতেচনতাই মানবকে আস্থাশীল হতে সহায়তা করে এবং আস্থাশীলতাই সার্বিক স্বাচ্ছন্দ্যের চাবিকাঠি
মহান সৃষ্টিকর্তা গাণিতিক মান ১৯কে সকল কিছুর উপর মহামান্যতা ও ৫টি দায়িত্ব দিয়ে সকল সংখ্যার হিসাব সংরক্ষণের ঘোষণা দিয়েছেন (৭২:২৮; ৭৪:৩০-৩১! এরই পাশে, তাঁর প্রেরিত ধর্মগ্রন্থকে গাণিতিক কাঠামোগত কিতাব আখ্যা দিয়ে এটিও জানিয়ে রেখেছেন যে তাঁর নৈকট্যপ্রাপ্তরাই কেবল সেটির সাক্ষ্য দিতে পারবে (৮৩:২০-২১)! অন্যদিকে, তাঁর উপর আস্থা আনয়নের বর্ণনায় ৯১ মান ধারনকরা আলিফ ১, মীম ৪০, নুন ৫০ বর্ণ সহযোগে সৃষ্ট আমানু শব্দ ব্যবহার করেছেন! ১৯+৯১ = ১১০! চুড়ান্ত বিজয় নামীয় ১১০তম সুরার মাধ্যমেই কোরানের অবমুক্তি সুসম্পন্ন হয়! এবং
পবিত্র কোরান ১৯ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত পারলৌকিক গাণিতিক কাঠামো অনুসরনে সৃজিত! সৃষ্টিকর্তা ১৯কে এক অতীব অলৌকিক (৭৪:৩৫) হিসাবে ঘোষনা করেছেন এবং তাঁর রাসুল ১৯ এর পরিপুরক ৭৩ গাণিতিক মানের মাধ্যমে আল্লাহ ও কোরানে বিশ্বাসী দাবি করে সালাত আদায় করা আস্থাশীলতাঁর বর্ণনা দিয়ে গেছেন!
আলোয় আস্থা NOORAA ৬৪
সচেতনতা মোত্তাক্কি ৬৪
আত্মা নফস ৪৬
শরীর BODY ৪৬
আস্থাশীল মু’মিন ৪৬
১৯ ভিত্তিক গাণিতিক অলৌকিকতাই প্রকল্প নামের অনুপ্রেরণা !
NOFS – সমন্বিত অর্থনৈতিক প্রকল্প কেন্দ্রিক নৈতিক উপার্জনে শরীর ব্যবস্থাপনা এবং সচেতনতা অর্জনে গাণিতিক অলৌকিকতা কেন্দ্রিক
- তথ্যসেবায় সম্পদের পরিশুদ্ধতা,
- সৎকর্মশীলতায় আত্মিক বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করনের মাধ্যমে জাগতিক সমৃদ্ধি এবং সার্বিক প্রশান্তি অর্জনে সহায়তা করবে, যদি আল্লাহ ইচ্ছে করেন!
নফস! শুধু স্বাচ্ছন্দ্যের নিশ্চয়তা নয় – এটি ঐক্য, পারষ্পরিক আস্থা ও সমৃদ্ধির মিলনস্থল, যেখানে স্বাচ্ছন্দ্যের জীবন্ত অনুভুতি অনুধাবনযোগ্য হবে, যদি সৃষ্টিকর্তা ইচ্ছে করেন!

